Posts tagged ‘খালেদা জিয়া’

January 7, 2014

এখন চুপ থাকেন – শেখ হাসিনা

বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সহিংসতা চালিয়ে নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছেন। এখন চুপ থাকেন। কোনো কিছুই ঠেকাতে পারবেন না।’

মিডিয়াগুলোকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। তারা অনেক কাজ করেছে, যেটা আমাদের সহযোগিতা করেছে। আবার অনেক কাজ করেছে যেটা সন্ত্রাসে সহায়তা করেছে। আগুনের ছবি দেখিয়েছে। অনেকে আবার দেশলাই দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

Better encourage Khaleda Zia to talk, her support for last few months’ terrorism might be clearer!

Did journalists actually supply fire-starters? Or, Sheikh Hasina made that up?

Advertisements
December 25, 2013

তারা আগুন দিয়ে দোষ দিচ্ছে আমাদের: খালেদা

বাসে আগুন দিচ্ছে তারা (আওয়ামী লীগ)। বাস পুড়িয়ে লোকদের দেখানো হচ্ছে, বলছে- অমুক দল করছে, তমুক দল করছে।

বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় বিএনপির নেতাদের নামে ‘মিথ্যা’ মামলা দেয়া হয়েছে দাবি করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “এই হচ্ছে তাদের (সরকারের) কাজ।”

বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে যীশুখ্রিস্টের শান্তির বাণীর কথা তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, “আমরা ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’- শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আমি কথা দিচ্ছি- এই কর্মসূচিতে কোনো অশান্তি হবে না।”

তথ্যসূত্র: বিডি নিউস

December 2, 2013

বিএনপি নেত্রী (খালেদা জিয়া) গণহত্যায় নেমেছেন। তিনি এসি রুমে বসে থাকেন, ..ওখান থেকে হুকুম দেন মানুষ হত্যার! : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বিএনপি নেত্রী (খালেদা জিয়া) গণহত্যায় নেমেছেন। তিনি এসি রুমে বসে থাকেন, আরামে খাওয়া-দাওয়া করেন আর ওখান থেকে হুকুম দেন মানুষ হত্যার!

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এভাবে মানুষ হত্যা করে বিএনপি-জামায়াত কী অর্জন করবে? এই আন্দোলন বা এই রাজনীতি আমি দেখিনি। এটা কোন রাজনীতি নয়, কোন আন্দোলন নয়। এটা সম্পূর্ণ সন্ত্রাসী কর্ম |

যেটা জ্বলছে সেটা না, যারা আগুন লাগাচ্ছে বা যারা নাশকতা চালাচ্ছে তাদের ছবিটা পারলে দেখান। আপনারা আমাদের সাহায্য করেন, এদের ধরতে আমরা যা করার তাই করব।

তথ্যসূত্র : জনকন্ঠ

October 30, 2013

হাসিনা- আমি ঝগড়া করতে চাই না | খালেদা- কথা আপনিও বলছেন

খালেদা- হ্যালো, হ্যালো।
হাসিনা- হ্যালো। কেমন আছেন?
খালেদা- ভালো।
হাসিনা- দুপুর থেকে ফোন করছি।
খালেদা- দুপুরে কোনো ফোন আসেনি।
হাসিনা- ফোন করেছি তো।
খালেদা- কথা সত্য নয়। দীর্ঘদিন ধরেই টেলিফোনটি বিকল। দেশ চালান, সব খবর রাখেন, এ খবর রাখেন না। লোক পাঠান।
হাসিনা- আপনি তো জানেন, রেড ফোন বিকল থাকে না।
খালেদা- ফোন বিকল, এটাই সত্য।
হাসিনা- আমি ফোন করেছি।
খালেদা- দীর্ঘদিন ধরে ফোন ডেড। মৃত ফোন কি হঠাৎ জেগে উঠবে?
হাসিনা- যে কোন কারণে ফোন ধরতে পারেননি।
খালেদা- না ফোন বাজেনি। আমি ফোনের কাছেই থাকি। ফোন বাজলে না ধরার কথা নয়।
হাসিনা- ফোন বেজেছে, ধরেননি। আমি আগামীকাল দেখব।
খালেদা- …
হাসিনা- আমি ফোন করলাম। ২৮ তারিখ (২৮ শে অক্টোবর) আপনাকে দাওয়াত দিচ্ছি। জানেন তো, আমরা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলছি।
খালেদা- দাওয়াত কেন দিচ্ছেন?
হাসিনা- আমার সঙ্গে রাতের খাবার খাবেন।
খালেদা- ২৮ তারিখ আমি যেতে পারব না। ওই দিন হরতাল আছে। হরতাল থাকলে আমি বের হই না।
হাসিনা- আপনি বলেছেন, দুইদিনের মধ্যে…
খালেদা- বলেছি। আমার আন্তরিকতা আছে। আমি একা যাব না।
হাসিনা- যাকে ইচ্ছা আনেন, যতজন ইচ্ছা আনেন।
খালেদা- যতজন না। আমার দলের প্রয়োজনীয় নেতাদের নেব।
হাসিনা- দেশ জাতির স্বার্থে হরতাল প্রত্যাহার করুন।
খালেদা- হরতাল প্রত্যাহার করতে পারব না।
হাসিনা- মানুষ হত্যা বন্ধ করুন।
খালেদা- মানুষ হত্যা আপনারা করছেন। আপনারা গান পাউডার দিয়ে বাস পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেছেন। লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করেছেন। এসব হত্যার নির্দেশ আপনার মুখ থেকেই বেরিয়েছে। এর দায় আপনাদের।
হাসিনা- জনগণের স্বার্থে হরতাল প্রত্যাহার করুন।
খালেদা- জনগণের স্বার্থে হরতাল দিয়েছি।
হাসিনা- আমরা আলোচনা করতে চাই।
খালেদা- আপনার মন্ত্রীরা তো বলেছেন, আলোচনা হবে না। আলোচনা হতে পারে, হরতালের পর।
হাসিনা- আপনি তো দুইদিনের কথা বলেছিলেন।
খালেদা- আপনি একদিন পর ফোন করেছেন। তখন সুযোগ ছিল না।
হাসিনা- আমি তো ব্যস্ত।
খালেদা- আপনার মতো অত ব্যস্ত না হলেও আমরাও ব্যস্ত।
হাসিনা- …
খালেদা- কাল আমাদের সমাবেশের এত দেরি করে অনুমতি দিলেন কেন? অনুমতি দিলেন মাইক ব্যবহারের অনুমতি দিলেন না কেন? লোকজন আমাদের বক্তব্য শুনতে পায়নি। অতীতে আপনাদের তো এমন করিনি।
হাসিনা- আমি বলেছি, আলোচনার কথা।
খালেদা- সমাবেশে মাইকের অনুমতি কেন দিলেন না?
হাসিনা- অনুমতি তো দিয়েছি।
খালেদা- আমরা সমাবেশ করতে গেলে আপনারা ১৪৪ ধারা জারি করেন। দেশে কি ইমার্জেন্সি জারি হয়েছে। দেশে কি যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে।
হাসিনা- এ ব্যাপারে কথা বলতে চাই না।
খালেদা- কথা তো আপনাকে বলতে হবে। মিটিং করতে চাইলে মাইকের অনুমতি দেবেন না। আপনারা আগে মিটিং করেননি।
হাসিনা- আমাদের গ্রেনেড হামলার কথা মনে আছে।
খালেদা- আমরা নই, আপনারা করিয়েছেন গ্রেনেড হামলা।
হাসিনা- আপনারাও কিন্তু রাত ১১টায় অনুমতি দিয়েছিলেন।
খালেদা- আপনার দলের নেতারা ভেন্যু পরিবর্তন করেছিল।
হাসিনা- আপনি মুক্তাঙ্গনে অনুমতি…
খালেদা- অনুমতি দিয়েছি, রেকর্ড আছে। সে রেকর্ড দেখেন না।
হাসিনা- …
খালেদা- এখন বলছি, সত্যিকার আন্তরিক হন। তবে ২৯ তারিখের পর বলেন, আমি যাব।
হাসিনা- আমি ঝগড়া করতে চাই না। আপনি একতরফা কথা বলছেন।
খালেদা- কথা আপনিও বলছেন।
হাসিনা- হরতাল প্রত্যাহার করেন। আসেন।
খালেদা- হরতালের পর।
হাসিনা- হরতালের মাধ্যমে মানুষ খুন করছেন।
খালেদা- আপনারা মানুষ খুন করছেন। আপনার ছাত্রলীগ, যুবলীগ মানুষ খুন করছে।
হাসিনা- খুনের রাজনীতি আমরা করি না।
খালেদা- খুনের রাজনীতি আপনার পুরনো অভ্যাস। আপনাদের পুরনো অভ্যাস।
১৯৭১ এর পরও ক্ষমতায় থাকাকালে মানুষ খুন করেছেন। সেটা কি ভুলে গেছেন।
হাসিনা- ’৭১-এ মানুষ খুন করেছি।
খালেদা- ’৭১এর পর ক্ষমতায় থাকাকালে মানুষ খুন করেছেন।
হাসিনা- যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করছেন।
খালেদা- সত্যিকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করলে আমরা সমর্থন দিতাম। কিন্তু আপনি তা করছেন না। আপনার দলেও অনেক যুদ্ধাপরাধী আছে।
হাসিনা- সত্যিকার বিচার হচ্ছে।
খালেদা- আপনি তো প্রধানমন্ত্রী নন। আপনি তো দলীয় প্রধানমন্ত্রী। আমার সঙ্গে যে আচরণ করেছেন। আমার দলীয় কার্যালয়ে যে আচরণ করেছেন।
হাসিনা- আপনি জবাব দিতে পারেন। অসাংবিধানিক সরকার…
খালেদা- আপনারাই অসাংবিধানিক সরকারকে স্বাগত জানান। আপনিই এরশাদ ক্ষমতা দখলের পর বলেছিলেন, আই অ্যাম নট আনহ্যাপি।
হাসিনা- বলিনি।
খালেদা- আপনি মঈন উদ্দিন-ফখরুদ্দিনকে আপনাদের আন্দোলনের ফসল বলেছেন।
হাসিনা- না।
খালেদা- আপনি তাদের শপথ অনুষ্ঠানে গিয়ে বলেছেন, আপনাদের আন্দোলনের ফসল। মানুষ সে কথা ভুলেনি।
হাসিনা- আপনি ৯ জনকে ডিঙিয়ে মঈন উদ্দিনকে প্রধান বানিয়েছিলেন।
খালেদা- আপনি অনেককে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। এ কথা বইলেন না। অনেককে বাড়ি পাঠিয়েছেন। মঈন উদ্দিন-ফখরুদ্দিন সাংবিধানিক সরকার ছিল না। কিন্তু আপনি তাদের শপথ অনুষ্ঠানে গেলেন। সেদিন তো আমরা দুই দলই ক্ষমতার বাইরে ছিলাম। আমি যাইনি, আপনি শপথ অনুষ্ঠানে গেছেন।
হাসিনা- আমি আগুনে বসে হাসি পুষ্পের হাসি। আমার বাবা ভাই মারা গিয়েছিল।
খালেদা- আপনি অতীতের দিকে নয়, সামনের দিকে আগান। সৎ উদ্দেশ্য থাকলে সামনে আগান।
হাসিনা- আপনারা ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে হত্যাকা- করেছেন।
খালেদা- হত্যা আমরা করিনি। আপনি যতদিন থাকবেন, ততই আমাদের লাভ। আপনি যতই অশ্লীল কথা বলবেন ততই আমাদের লাভ।
হাসিনা- ১৫ই আগস্ট আপনি কেন কেক কাটেন?
খালেদা- ওইদিন কি কোন মানুষ জন্ম নেবে না। আপনারা জিয়াউর রহমানের কথা বলেন। জিয়াউর রহমান তো আপনাদের আওয়ামী লীগকে জন্ম দিয়েছেন। আপনারা তো বাকশাল ছিলেন।
হাসিনা- …
খালেদা- এ রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসেন। আসুন নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করি।
হাসিনা- আপনি হরতাল প্রত্যাহার করবেন না?
খালেদা- হরতাল প্রত্যাহার করতে পারবো না। এটা ১৮ দলের সিদ্ধান্তে ঘোষণা করা হয়েছে।
হাসিনা- আপনি ১৮ দলকে ডেকে সিদ্ধান্ত নিন।
খালেদা- তাদের তো পুলিশ তাড়াচ্ছে।
হাসিনা- পুলিশ ধরবে না। বলে দেন।
খালেদা- পুলিশ কি আমাদের কথায় চলে?
হাসিনা- বোমা বাস্ট হবে…
খালেদা- বোমা বাস্ট আপনারা করেন। আপনি ২৯ তারিখের পর বলেন, আমরা আসবো।
হাসিনা- আপনি দুই দিনের আলটিমেটাম দিলেন। এর মধ্যেই তো ফোন করলাম।
খালেদা- বলেছি তো, আপনি দেরি করেছেন। আমরা বলেছি, সংলাপ ও আন্দোলন একসঙ্গে চলবে।
হাসিনা- আপনারা কি ক্যামরায়…
খালেদা- আমাদের এখানে ক্যামেরা নেই। আমরা ক্যামেরা ছাড়া কথা বলছি। অফিসে থাকলেই বরং ক্যামেরা থাকতো। আপনারা সম্ভবত ক্যামেরাই দেখাচ্ছেন…।
হাসিনা- ফোন করেছি। ফোন তো ঠিক আছে।
খালেদা- লোক পাঠান।
হাসিনা- ১০-১২ বার ফোন করেছি।
খালেদা- আমরা শুনিনি, আপনি কেবল শুনেছেন।
হাসিনা- আমি কিভাবে শুনবো। আমার তো এক কান নষ্ট। ফোন আমি নিজেই করেছি।
খালেদা- ডেড ফোনে কথা বলেছেন।
হাসিনা- রিং হচ্ছিলো।
খালেদা- ঠিক নয়। আমরা অনেকবার লোক ডেকেছি। আপনার লোকজন আমাদের তো মানুষই মনে করে না।
হাসিনা- ফোন দিয়েছি।
খালেদা- আপনি চাইলে মোবাইলে কথা বলতে পারতেন। মৃত কে তো মৃত বলতেই হবে।
হাসিনা- (…নাম্বার বলে যান)
খালেদা- আপনার মুখস্ত থাকতেই পারে।
হাসিনা- কাল খবর নেব।
খালেদা- গুলশান এক্সচেঞ্জের লোক মিথ্যা বলেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সে সত্য কথা বলেনি।
হাসিনা- আলাদা এক্সচেঞ্জ।
খালেদা- টেলিভিশনে স্ক্রল দেখাচ্ছে…
হাসিনা- গণভবনে আমরা কথা বলছি, এখানে কোনো টেলিভিশন নেই।
খালেদা- তাহলে কেন এটা বলা হচ্ছে…
হাসিনা- তাহলে কি কথা বলবেন না।
খালেদা- আমি আধাঘণ্টা ধরেই বসে আছি। আপনার ফোন আসবে এ জন্য। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। কথা বলেছি। এখন কেন কথা বলবো না।
হাসিনা- ২৮ তারিখে আসেন।
খালেদা- সত্যিই আন্তরিক হলে ২৯ তারিখের পর বলেন।
হাসিনা- কাল বলেছেন…
খালেদা- আমরা তো হরতাল দিয়েছি।
হাসিনা- আমি তো ফোন করেছি।
খালেদা- আগে কেন করেননি। পরে করছেন কেন?
হাসিনা- আমি দুঃখিত।
খালেদা- বাংলাদেশের মানুষ…
হাসিনা- আপনি দুইদিনের কথা বলেছেন…
খালেদা- বলেছি, কিন্তু হরতালও দিয়েছি।
হাসিনা- কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
খালেদা- ১৮ দলকে এখন কই পাবো।
হাসিনা- হুকুম করেন, পাবেন।
খালেদা- কই পাব? তারা তো…
হাসিনা- মিথ্যা বলছেন।
খালেদা- আপনি কাল রাতে ফোন করতে পারতেন।
হাসিনা- আমি রাত জাগি না। আমি সকালে নামাজ পড়ি।
খালেদা- নামাজ পড়েন। কোরআন পড়েন। নামাজিদের গুলি করেন হত্যা সবই করেন।
হাসিনা- আমি নামাজ পড়ি, নিয়মিত কোরআন পড়ি।
খালেদা- আপনি ২৯ তারিখের পর করেন।
হাসিনা- আপনি আপনার বক্তব্য থেকে সরে যাচ্ছেন।
খালেদা- আমার দলের নেতারা এখন নেই। ১৮ দল নেই। আমি একা কিভাবে সিদ্ধান্ত নেব।
হাসিনা- হুকুম দেন। এটা হয় নাকি।
খালেদা- আপনার ডিবি-এসবি তো আমাদের ঘেরাও করে রেখেছে, কিভাবে আসবে।
হাসিনা- আপনারা তো দা-কুড়াল নিয়ে মানুষ হত্যার কথা বলছেন।
খালেদা- বিশ্বজিৎকে আপনারা হত্যা করেছেন।
হাসিনা- তারা আগেই ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কৃত ছিল।
খালেদা- আমরা এ রকম আরো উদাহরণ দিতে পারব। আপনারা আমাদের বক্তব্য টেলিভিশনে প্রচার করতে দেননি। নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করেছেন। আল্লাহ আপনাদের বিচার করবে।
হাসিনা- ধরা পড়ার পর দেখা গেছে। তাদের বাবা-মা জামায়াত-বিএনপি করে।
খালেদা- না তারা ছাত্রলীগই করে। আমি আপনাকে অনুরোধ করি, সদিচ্ছা থাকলে ২৯ তারিখের পর ডাকেন।
হাসিনা- এ কথাটি রাখেন।
খালেদা- ২৯ তারিখের পর ডাকেন। অন্য কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে। আমরা কর্মসূচি দেবো না।
হাসিনা- ২ দিনের কথা বলেছিলেন।
খালেদা- ৩০ তারিখ হলে আমি রাজি আছি।
হাসিনা- আপনার তো ভারপ্রাপ্ত আছে। যদিও প্রটোকলে মিলে না। তারপরও আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ কথা বলবেন। তাদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে…
খালেদা- কাল রাতে কেন ফোন দিলেন না। তাহলে আমি দলের নেতাদের সঙ্গে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম। আমি তো ৭টায় অফিসে গিয়েছিলাম। ফোন করলেই পেয়ে যেতেন।
হাসিনা- তখন তো রাত।
খালেদা- ৭টা রাত নয় সন্ধ্যা।
হাসিনা- আমার তো নেতাদের সঙ্গে কথা বলে…
খালেদা- আমারও তো নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।
হাসিনা- আমাদের কিন্তু ’৯৬ কথা মনে আছে।
খালেদা- ১৭৩ দিন হরতাল করেননি?
হাসিনা- ’৯৬তে আপনারাও করেছেন।
খালেদা- ১৯৯১ সালে আমরা একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। একসঙ্গে কাজ করতাম। কিন্তু আপনি প্রথম দিনেই সংসদে বললেন, একদিনও শান্তিতে থাকতে দিবেন না।
হাসিনা- নো।
খালেদা- আপনি একবার তত্ত্বাবধায়কের কথা বলবেন, একবার সংবিধানের কথা বলবেন।
হাসিনা- নির্বাচনের পর যে সিচুয়েশন হয়েছিল।
খালেদা- ৩০ তারিখের পর হলে আমরা রাজি আছি।
হাসিনা- আমার পার্টি স্ট্রং। আমাদের ভোট আছে। আমরা সংগ্রাম করেই এটা অর্জন করেছি।
খালেদা- আমার দলও অনেক সংগ্রাম করে ক্ষমতায় এসেছিল।
হাসিনা- দুঃখিত।
খালেদা- সময় মতো ফোন করেননি। আমি দুঃখিত। কাল ফোন করলে পরিবেশ পরিস্থিতি অন্যরকম হতো।
হাসিনা- আমার এডিসি দেড়টা থেকে চেষ্টা করেছে।
খালেদা- ফোন না বাজলে ধরার উপায় নেই।
হাসিনা- শিমুল বিশ্বাসের ফোনেও অনেক চেষ্টা করেছে।
খালেদা- আপনি বসেছিলেন ৬টার জন্য।
হাসিনা- আপনি জানেন আমাদের মিটিং ছিল। আমি মিটিংয়ে দেরি করতে পছন্দ করি না।
খালেদা- মিটিং জরুরি না এটা জরুরি ছিল।
হাসিনা- সিদ্ধান্ত নেন।
খালেদা- কিভাবে নেব।
হাসিনা- জাতির কাছে বলেন।
খালেদা- আপনি নির্দলীয় সরকার মেনে নিন। আমি হরতাল প্রত্যাহার করবো।
হাসিনা- আমাদের ৯০ ভাগ সিট…
খালেদা- আপনি বলেন, নির্দলীয় সরকার মেনে নেবেন, আমি হরতাল তুলে নেবো।
হাসিনা- যারা মাইনাস-টু করতে চেয়েছিল আপনি তাদের আনতে চাইছেন।
খালেদা- আমি না, আপনি। আপনি যে ভাষায় কথা বলেন…
হাসিনা- আপনি তো মধুর ভাষায় কথা বলেন। আমরা সংসদে আছি। একসঙ্গে কাজ করবো… আপনি দলের নেতাদের মিটিং করেন।
খালেদা- পুলিশকে বলে দেন। তত্ত্বাবধায়ক মানেন। সবাইকে ডাকি।
হাসিনা- হরতাল তুলে নেন।
খালেদা- নির্দলীয় সরকার মানার ঘোষণা দেন।
হাসিনা- আপনার দলের লোকের উপর ভরসা নেই?
খালেদা- আমার দলের লোকের উপর ভরসা আছে।
হাসিনা- তাদের ডাকেন।
খালেদা- আপনি দাবি মানেন, হরতাল…
হাসিনা- আপনি সর্বদলীয় মানেন।
খালেদা- সবর্দলীয় মানা যায় না।
হাসিনা- আবার কাকে আনবেন, মঈন উদ্দিন-ফখরুদ্দিনের মতো।
খালেদা- আপনিই আনেন।
হাসিনা- ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিন সৃষ্টি করবেন না।
খালেদা- কি বলেন…
হাসিনা- আসেন। হরতাল তুলে নেন।
খালেদা- ২৮ তারিখের আগে পারব না। হবে না।
হাসিনা- ধন্যবাদ –
তথ্যসূত্র: ইনকিলাব
October 30, 2013

এই সংলাপ না হলেই ভালো হতো

.. আপত্তি হলো, দেশের দুই শীর্ষ নেত্রীর মধ্যে যে টেলিফোনে আলাপ হলো তার ভাষাভঙ্গি নিয়ে। পুরো টেলিসংলাপটি পরিণত হয় রাজনৈতিক কূটতর্কে।

মনে হয়েছে, এক পক্ষের কাছে আমন্ত্রণ জানানোর চেয়ে আমন্ত্রণের বার্তাটি দেশবাসীর কাছে প্রচার করাই মুখ্য ছিল।

অপরপক্ষ সেই সুযোগে মনের যত রাগ ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।

এখানে জনগণের আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। নিজেদের জেদ বজায় রেখেছেন। সারাক্ষণ একে অপরকে কথা ও বাক্যবাণে ঘায়েল করতে সচেষ্ট ছিলেন। তাই মনে হয়, এই সংলাপ না হলেই ভালো হতো

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

October 12, 2013

কোনো ধর্মের মানুষ তাদের কাছে নিরাপদ নয় : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেছেন,

‘মন্ত্রী-এমপিরা বলে বেড়াচ্ছেন, একতরফা নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থানকারীদের শক্ত হাতে দমন করা হবে। আপনারা জনগণের হাত দেখেননি। তাদের হাত যে কতটা শক্ত, তা একতরফা নির্বাচন করতে গেলেই টের পাবেন।’

কোনো ধর্মের মানুষ তাদের কাছে নিরাপদ নয়। এ সরকারের আমলে হিন্দুদের যত মন্দির ভেঙেছে, তা অন্যদের সময় ঘটেনি।

 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

October 1, 2013

সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিষয়ে দলীয়ভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি বিএনপি

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিষয়ে দলীয়ভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি বিএনপি। দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা কেউ এ নিয়ে গণমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা জানিয়েছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধে এর আগে দেয়া ছয়টি রায় সম্পর্কেও নিশ্চুপ ছিল বিএনপি। ওই ছয়টি রায়ে দণ্ডিত প্রত্যেকেই অবশ্য ১৮ দল শরিক জামায়াতের বর্তমান ও সাবেক নেতা। তবে প্রথমবারের মতো বিএনপির কোনো নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সর্বোচ্চ দণ্ডাদেশের পরেও দলটি চুপচাপ থেকেছে।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক

September 29, 2013

আন্দোলন করে ‘দুর্নীতিবাজ’, ‘চোর’, ‘বেইমান’, ‘মুনাফিক’ সরকারকে সরাতে হবে : খালেদা জিয়া

খালেদা জিয়া বলেন,

– ‘হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাব না, যাব না।

– শুধু যাব না নয়; তাদের অধীনে নির্বাচন হবে না। নির্বাচন প্রতিহত করা হবে।

– মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করেছে। কোরআন শরিফ পুড়িয়েছে। রাস্তার আলো নিভিয়ে বহু লোককে হত্যা করেছে। রক্তে রাজপথ ভেসে গেছে।

– আজকে ডাকাতের হাতে বাংলাদেশ পড়েছে ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

September 24, 2013

একতরফা নির্বাচন কীভাবে প্রতিহত করতে হয় দেখিয়ে দেব: খালেদা জিয়া

– সরকারকে আমরা ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিচ্ছি।

– আমরা দেখব সংবিধান সংশোধন করে কি না।

– সংবিধান সংশোধন না করে একতরফা নির্বাচন করলে কীভাবে তা প্রতিহত করতে হয়, আমরা দেখিয়ে দেব।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

September 19, 2013

উন্নয়ন দেখার জন্য চোখের ডাক্তারের কাছে যান: শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা .. বলেছেন,

উনি (খালেদা জিয়া) যদি কোন উন্নয়নই চোখে দেখতে না পান, তা হলে তাঁকে শুধু এটুকু বলব চোখের ডাক্তারের কাছে যান।

তথ্যসূত্র: জনকন্ঠ